Menu

বগুড়ায় দুই ইউনিয়নে আ’লীগের বিপক্ষে জামায়াতের ভূমিধ্বস বিজয়


স্টাফরিপোর্টার: ৫ম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বগুড়ায় দুই ইউনিয়নে বিশাল বিজয় পেয়েছে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী। জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার ৪নং গুনাহার ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থীকে প্রায় ১২ হাজার ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা নূর মোহাম্মাদ আবু তাহের এবং শেরপুরের গাড়ীদহ ইউনিয়নে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীকে ৬ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন মাওলানা তবিবুর রহমান। আওয়ামীলীগের নৌকার প্রার্থী হয়েছে তৃতীয়। আওয়ামীলীগের চেয়ে জামায়াতের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ৭ হাজার ৩৭০টি।


বুধবার উৎসব মূখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষনা করা হয়। বেসরকারি ফলাফলে দুপচাঁচিয়ার ৪নং গুনাহার ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে চশমা প্রতিকে ১৪ হাজার ৯০৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক ছাত্রনেতা, দুপচাঁচিয়া উপজেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য, মানবকল্যাণ ও ছাত্রআন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক নূর মোহাম্মাদ আবু তাহের। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ৩ বারের চেয়ারম্যান ও বগুড়া জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য শাহ মোঃ আব্দুল খালেক। তিনি নৌকা প্রতিকে পেয়েছেন ২ হাজার ৯১৩ ভোট। জামায়াত প্রার্থী ১১ হাজার ৯৯৪ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী মোঃ হেলাল প্রামানিক আনারস প্রতিকে পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।

উল্লেখ্য, গত নির্বাচনে এই ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত নূর মোহাম্মাদ আবু তাহের জয়লাভ করলেও পরবর্তীতে আওয়ামীলীগ প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে, জেলার শেরপুর উপজেলার শুধুমাত্র গাড়ীদহ ইউনিয়নে বুধবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এখানে জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওলানা তবিবুর রহমান চশমা প্রতিকে ১২হাজার ২১৫ ভোট পেযে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি) আশরাফ আলী ভোলা আনারস প্রতিকে পেয়েছেন ৬ হাজার ১০৩ ভোট। এখানেও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ৬ হাজার ১০৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিকে মোকাব্বর হোসেন পেয়েছেন ৪ হাজার ৮৪৫ ভোট। আওয়ামীলীগের চেয়ে জামায়াতের প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান ৭ হাজার ৩৭০ ভোট।

এর আগে শেরপুরের শাহ বন্দেগী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এবং কাহালু উপজেলার মুরইল ইউনিয়নে আব্দুল জলিল বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মেম্বার পদে জামায়াত সমর্থিত অনেকেই নির্বাচিত হয়েছেন। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীদের বিপুল বিজয়ে নেতাকর্মিদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা অব্যাহত থাকলে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে আগামীতে জামায়াতে ইসলামী আরও সাফল্য পাবে বলে সাধারণ মানুষ মন্তব্য করছেন।

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন।

No comments

Leave a Reply

sixteen − 12 =

সম্পাদকীয়

    উপ-সস্পাদকীয়

    সংবাদ আর্কাইভ

    সংবাদ