Menu

অবৈধ অনলাইন মুদ্রা ব্যবসায়ী চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বগুড়ার পুলিশ


সাতমাথা অনলাইন: অবৈধ অনলাইন মুদ্রা ব্যবসা ক্রিপ্টোকারেন্সি চক্রের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে বগুড়া পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট। গত ২৩ ও ২৪ এপ্রিল দুই দিনের অভিযানে হবিগঞ্জ এবং লক্ষèীপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার আন্দিউড়া গ্রামের মৃত শাহ মোঃ হিরণের ছেলে আহসান হাবিব ওরফে শাহ মোঃ তানিম (২২), একই গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া ওরফে কাজী সোহেল (২৭) এবং লক্ষèীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার উলতাফনগর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মারুফ হোসাইন ওরফে মারুফ বিল্লাহ (২৫)।

বগুড়ার পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা আজ (শুক্রবার) বেলা সাড়ে ১১টায় তাঁর কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এতথ্য জানান।

পুলিশ সুপার বলেন, বাংলাদেশে ভার্চুয়াল মুদ্রা বিটকয়েন অবৈধ হলেও দিনি দিন এই মুদ্রার ব্যবহার বাড়ছে। অনলাইনে এই ডিজিটাল মুদ্রার আদান-প্রদান হয়ে থাকে। অনলাইনের এই মুদ্রা বিনিময়ের সব তথ্য গোপন থাকে। এর ফলে সরকার রাজস্ব বঞ্চিত হয়। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক জুয়াড়ি চক্র এই মাধ্যমটি বেশি ব্যবহার করে থাকে। বিপিএল এবং আইপিএল এর সময় এই চক্রটি বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এছাড়া অবৈধ টাকার মালিকরাও এই পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকে।

পুলিশ সুপার বলেন, এই চক্রটি একটি বিশেষ শ্রেণির গ্রাহকের সাথে লেনদেন করে থাকে। তারা বিটকয়েন দেয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে। এমনই কয়েকজন প্রতারিত ব্যক্তির মৌখিক অভিযোগ পেয়ে বগুড়া পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিট তদন্তে নামে। সাইবার পুলিশ বগুড়ার ইন্সপেক্টর মোঃ এমরান হোসেন তুহিনের নেতৃত্বে একটি দল দীর্ঘ দিন তদন্ত শেষে উল্লেখিত তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ২টি ল্যাপটপ, ১৬টি মোবাইল ফোন, ২০টি মোবাইল সিম ও চক্রের ব্যবহৃত ২টি ওয়েবসাইট উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরও জানান, ২০১৭ সালের ২০ ডিসেম্বর এবং ২০১৮ সালের ১৪ জানুয়ারি এই চক্রটি দুটি ওয়েবসাইট তৈরি করে। অল্প সময়ের মধ্যে ওয়েবসাইট দুটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে অবৈধ অনলাইন কারবারীদের কাছে। তাদের ওয়েবসাইটের ইউজার সংখ্যা ৭ হাজার ৩৬২ জন এবং এই সময়ের মধ্যে প্রায় ২৭ হাজার ৮০০টির মত লনদেন হয়েছে। ইতোমধ্যেই বগুড়া সাইবার পুলিশ একটি ওয়েবসাইট বন্ধ করেছে।

তিনি জানান, তিনজনকে গ্রেফতারের পর তাদের ব্যবহৃত বিকাশ, রকেট এবং কিছু মোবাইল ব্যাংকিং এ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব এ্যাকাউন্টে ৫ লাক্ষ ২৬ হাজার টাকা পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা এই চক্রের আরো বেশ কয়েখ জন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন।

No comments

Leave a Reply

thirteen + 5 =

সম্পাদকীয়

    উপ-সস্পাদকীয়

    সংবাদ আর্কাইভ

    সংবাদ